পটুয়াখালী ৩ আসনের দিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর রয়েছে: নুর
যুগশঙ্খ ডেস্ক : গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির আসন সমঝোতার জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, নির্বাচনে আমি কোনো পক্ষপাতমূলক ভূমিকা বা বিশেষ সুবিধা চাই না। আমাদের গ্রাম-গঞ্জের কিছু মানুষ দলকানা। সরকারি চাকরি করে সহকারি প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে পড়ে। আমি ইউএনও, অ্যাসিল্যান্ডকে ও ওসিকে বলেছি পটুয়াখালী-৩ আসনে দিকে শুধু সারা বাংলাদেশ নয়,দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর রয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা সদরের দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নুর।
নুরুল হক নুর বলেন, একটি মহল ভোট বানচাল করতে চায় এবং প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে আগামীর বাংলাদেশ সংকটে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জোট হয়েছে। তারা চেয়েছে ভিপি নুর তাদের সঙ্গে থাকুক। কিন্তু আমার জনপদের মুরুব্বিদের সঙ্গে আলাপ করেছি। তারা বলেছেন, তোমার দল নতুন, বিরোধী দলে থাকা যাবে না। তারা বলেছিল, ঐতিহাসিক সরকারের পার্ট হতে হবে। তাই বিএনপির সঙ্গে জোট করেছি।
নুর বলেন, আমার বাবা চরাঞ্চলের সাধারণ কৃষক, ধান-চালের ব্যবসা করেছেন। যখন আর্থিক সংকটে পড়ি তখন তিনি ছোট একটা রেস্টুরেন্টও চালিয়েছিল। এটা আমার জন্য লজ্জার নয়, অহংকারের। বাবার রক্তের পানি করা টাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেছি। বিসিএস দিলে পুলিশ সুপার বা ম্যাজিস্ট্রেট হতাম। ৫ আগস্টের পর অনেক সচিব গিয়েছে আমার কাছে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ বাড়াতে। অনেক যুগ্ম সচিব গিয়ে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির সুপারিশের জন্য, ডিসি ও ইউএনওরা গিয়ে পদায়নের সুপারিশের জন্য। অনেক জজ, সহকারি জজ ও হাইকোর্টের বিচারক হওয়ার জন্য জন্য সিভি পাঠিয়েছে। নৈতিক ও সঠিক হলে তাদের জন্য সুপারিশ করেছি। এক পয়সাও কারও থেকে নেইনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।