গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আলোচনা চলছে: তথ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনি ইশতেহার ও ৩১ দফার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গণমাধ্যমে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আটদিনব্যাপী পাবনা বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফাতে গণমাধ্যমকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। আমাদের সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস। আমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গণমাধ্যমে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা শুরু করেছি। আশাবাদী সকলের সম্মিলিত আলোচনার ফলাফলের ভিত্তিতে আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।’
এ সময় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘গণমাধ্যমের উপরে যে নির্যাতনের ইতিহাস ফ্যাসিবাদের কর্মকাণ্ডে তার একটি অনিবার্য অঙ্গ। আমরা গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে ফ্যাসিবাদকে উৎখাত করেছি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে গণমাধ্যমের এই অধিকার ও স্বাধীনতার চর্চা যারা করেছেন, সেই গণমাধ্যমকর্মীদের নির্যাতনের যে অপরাধ তা আমরা তামাদি হতে দেবো না। এই অপরাধকে চিহ্নিত করার জন্য আমরা সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে ইতিমধ্যে তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছি।’
এর আগে সন্ধ্যা সাতটায় তথ্যমন্ত্রী ফিতা কেটে শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে জাসাস পাবনা জেলা শাখার ব্যবস্থাপনায় আটদিনব্যাপী বইমেলা উদ্বোধন করেন। পরে জাতীয় ও দলীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা বইমেলা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান। সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার ও জেলা জাসাস এর আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগ। পরে অতিথিবৃন্দ বইমেলার স্টল ঘুরে দেখেন।
মেলায় বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার ২০টি স্টলে নতুন বইয়ের সমাহার রয়েছে। সাথে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বইমেলা। মেলা শেষ হবে আগামী ১০ এপ্রিল।