ঢাকা, বাংলাদেশ

একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ থাকবে : ইসি সচিব

প্রকাশিত :

নিজস্ব প্রতিবেদক : একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ (স্ট্যাম্পিং বুথ) রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ভোট দেয়ার সময় কমবে এবং কেন্দ্রে ভিড় এড়ানো যাবে। সম্ভবত ভোটকেন্দ্র বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। তবে প্রতিটি বুথে গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানো লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ও একইসাথে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোট ‘শতাব্দীর নির্বাচন’। বড় পরিসরের এই নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে মাঠ প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে রোববার (৩০ নভেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিনের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের একথা জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্যানেল প্রস্তুত, আগাম পোস্টার-ব্যানার অপসারণসহ অন্তত ২২টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সাথে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত বৈঠক করেছে।

আখতার আহমেদ বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য বন্ধ থাকা নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হয়েছে। তথ্য সংশোধনের জন্য ‘এডিট মোড’ যুক্ত করা হয়েছে। এরইমধ্যে অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন ২ লাখ ১০ হাজারের বেশি প্রবাসী এবং নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ১ লাখ।

সচিব বলেন, ভোটের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আতিথ্য গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করা হবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে তাদের ভাতা ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া ব্যালট পেপার প্রিন্টিংয়ের কাজ দেশে সরকারি প্রেসে এবং প্রবাসী ভোটের ব্যালট সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা প্রেসে সম্পন্ন হচ্ছে। ডাক বিভাগকে তেজগাঁও ও বিমানবন্দর সর্টিং সেন্টার পরিদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেইসাথে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে উপযোগী ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সচিব জানান, গণভোট, আউট-অব-কান্ট্রি ভোটিং, এআই অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং ভোটার শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচারণা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে মাইকিং, স্থানীয় প্রচারণা ও টিভি কভারেজ বাড়ানোর জন্যও গণমাধ্যমকে অনুরোধ করেন তিনি।

তিনি জানান, চূড়ান্ত সময়-পর্যালোচনা ও ভোটের তারিখ ঘোষণার পরই মূল কাজ গতিশীল হবে এবং নতুন চ্যালেঞ্জ এলে পর্যায়ক্রমে তা সমাধান করা হবে।