ঢাকা, বাংলাদেশ

শপথে আসতে পারেন মন্ত্রী পর্যায়ের এক পাকিস্তানি প্রতিনিধি

প্রকাশিত :

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেও যোগ দিতে পারছেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। এমনকি উপ-প্রধানমন্ত্রী কাম পররাষ্ট্র মন্ত্রী ইসহাক দারের বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনাও কম। এমনটাই জানিয়েছে ঢাকা ও ইসলামাবাদের দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্র।

সূত্রটি জানায়, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উভয়ে পূর্বনির্ধারিত ইউরোপ সফরে রয়েছেন। তবে ইসলামাবাদ এটুকু আভাস দিয়েছে যে, পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে দেশটির মন্ত্রী পদমর্যাদার একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সশরীরে হাজির থাকবেন।

এরআগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে টেলিফোনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ। এ সময় তারেক রহমানকে সাধারণ নির্বাচনে তার দলের ঐতিহাসিক ও অসাধারণ বিজয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি। তারেক রহমানকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানও এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। উভয় নেতাই আগামী দিনে দুই দেশের জনগণের কল্যাণের জন্য ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে সম্মত হন।

এদিকে, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩ সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকার। এদিন বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্র আগেই জানিয়েছে- আমন্ত্রিত গুরুত্বপূর্ণ অতিথির তালিকায় থাকা অন্য দেশগুলো হলো- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা, মালদ্বীপের একজন মন্ত্রীর যোগদানের ইঙ্গিত মিলেছে। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি। এই সংসদে ৭৭ আসনে জয়ী হয়ে বিরোধী বেঞ্চে বসছে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোট।

যুগশঙ্খ