ঢাকা, বাংলাদেশ

একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

প্রকাশিত :

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দেশের সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। বইমেলা আয়োজন বাংলা একাডেমীর অন্যতম সৃজনশীল উদ্যোগ। এ আয়োজনে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ভাষা শহীদদের স্মৃতি ও বাংলা ভাষার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করে রাজধানীতে শুরু হলো অমর একুশে বইমেলা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।


উদ্বোধনী আয়োজনে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সুরসপ্তক’। পরে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।


অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক, মহাপরিচালক অধ্যাপক আজম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য পদত্যাগ করা উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান ও উপ-উপাচার্য মামুন আহমেদসহ দেশের বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্ধারিত সময় পেরিয়ে এবার বইমেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হলেও বাংলাদেশের অমর একুশে বইমেলার আলাদা। তবে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে তরুণদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ কমছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে বইমুখী করতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারেক রহমান জানান, দেশে একজন মানুষ বছরে গড়ে প্রায় তিনটি বই পড়ে এবং বই পড়ার পেছনে সময় দেয় প্রায় ৬২ ঘণ্টা। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে পালিত একুশে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দেশের সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। বইমেলা আয়োজন বাংলা একাডেমীর অন্যতম সৃজনশীল উদ্যোগ। এ আয়োজনে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

উদ্বোধনের পর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য মেলার ফটক খুলে দেয়া হয়। মেলাকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে এবারের বইমেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

যুগশঙ্খ