ঢাকা, বাংলাদেশ

পদ্মা নদীতে পুলিশের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা, ওসিসহ গুলিবিদ্ধ ৫

প্রকাশিত :

যুগশঙ্খ ডেস্ক : পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুণ্ডা নৌ-ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের ওপর অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পাঁচ পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে কুষ্টিয়া জেলার হরিপুর এলাকার পদ্মা নদীতে এই ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ হয়ে আহতরা হলেন- লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য ইনামুল হক, শাহিনুর হক, নাজমুল হাসান এবং মানিক মিয়া। তারা সবাই একই নৌফাঁড়িতে কর্মরত। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লক্ষীকুণ্ডা নৌ-ফাঁড়ির একটি দল নিয়মিত টহল ডিউটি পালনের সময় পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া অংশের হরিপুর এলাকায় পৌঁছালে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ গোলাগুলি চলে। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নৌ-ফাঁড়ির পাঁচজন সদস্য গুরুতর আহত হন।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) পাঠানো হয়েছে। বাকিরা বর্তমানে পাবনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


আহত লক্ষীকুন্ডা নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা জানতে পারি পদ্মা নদীতে কে বা কারা বালু উত্তোলন করছে। এমন সংবাদ এর ভিত্তিতে আমরা সেখানে অভিযানে যাই। তাদেরকে বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করি। তখন তারা আমাদেরকে গুলি বর্ষণ করে। এতে আমরা পাঁচ পুলিশ সদস্য ও একজন নৌকার মাঝি গুলিতে আহত হয়েছেন। আমরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউর রহমান বলেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত।

যুগশঙ্খ